যুবলীগ সংবাদ :

যুবজাগরণ পাঠাগার ও বিক্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন বঙ্গমাতাকে নিয়ে যুবলীগের স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে : যুবলীগ চেয়ারম্যান জঙ্গিমুক্ত দেশ গড়তে যুবলীগের শপথ রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস পালিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে যুবলীগের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী বইমেলায় যুবলীগের নান্দনিক আয়োজন যুবলীগ চেয়ারম্যান সম্পাদিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির ৭৭ তম জন্মদিন পালিত। পৌর নির্বাচনী প্রচারণায় যুবলীগের কমিটি গঠন মোমবাতি জ্বালিয়ে শহীদদের প্রতি যুবলীগের শ্রদ্ধা মালয়েশিয়ায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অগ্রযাত্রার মিছিলে তারুণ্যের প্রেরণা আর সাহসের দিন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস---যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী
সহিংসতা করে জনগণকে জিম্মি করার নাম রাজনীতি নয় : ওমর ফারুক চৌধুরী
03/03/2014 12:46 AM

১৩ ডিসেম্বর, ২০১২ 

সহিংসতা করে জনগণকে জিম্মি করার নাম রাজনীতি নয় : ওমর ফারুক চৌধুরী

আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন, হরতাল, অবরোধ ডাকা হচ্ছে কি যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করার জন্য? কে কার বিরুদ্ধে, কেন হরতাল-অবরোধ করছে, সেটা বিশ্লেষণ করলেই বুঝা যায় সংঘাত-সহিংসতা কারা সৃষ্টি করছে। তারা বুঝতে পেরেছে সহিংসতা সৃষ্টি করে মানুষকে জিম্মি করা সম্ভব। তবে কি আমরা বলব এর নাম রাজনীতি? এটা কি রাজনীতি হতে পারে?

বিজয়ের মাসে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের হরতালে সহিংসতা ও তাণ্ডব এবং এর আগে ডাকা অবরোধের নামে রাজপথে পৈশাচিক নৃশংসতা চালিয়ে দেশে সৃষ্ট অরাজকতার জন্য বিরোধী দলকে দায়ী করে ওমর ফারুক চৌধুরী গতকাল এক বিবৃতি দিয়েছেন। এতে তিনি বলেন, যদি প্রশ্ন করা হয় হরতাল কিসের দাবিতে? এটা কি তত্ত্বাবধায়ক দাবিতে? বিএনপি যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে হরতাল করত, সেটা না হয় একটি কথা ছিল। কিন্তু তারা তো সেই দাবিতে হরতাল করছে না। ওমর ফারুক বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে হরতাল করার আগে তাদের পক্ষ থেকে একটা রূপরেখা তৈরি করতে হবে এবং এটি জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। সংসদে যেতে হবে, সেখানে পেশ করতে হবে। কিন্তু তারা সংসদে যাচ্ছে না বা সংসদে বসে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির রূপরেখাও পেশ করছে না। কারণ বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া জামায়াত-শিবিরকে ছাড়তে পারছেন না। 

বিএনপি-জামায়াতের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে ওমর ফারুক বলেন, বিএনপি-জামায়াতকে না ছাড়লে বিএনপির কী কী অসুবিধা হবে তা কিন্তু খালেদা জিয়া জানেন। কারণ, জামায়াতের যেমন পায়ের নিচে মাটি নেই ঠিক তেমনি বিএনপির পায়ের নিচেও মাটি নেই, জনসমর্থন নেই। আর এ কারণেই জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে তারা একসঙ্গে কর্মসূচি দিচ্ছে। জনগণকে জিম্মি করছে। এর নাম রাজনীতি নয়। এর নাম সহিংসতা, তাণ্ডব, আতঙ্ক, ত্রাস, নৈরাজ্য। 

ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার আদর্শ ‘জনগণের ক্ষমতায়নে’ বিশ্বাসী মানুষ জেগেছে, পেয়েছে অধিকার। জ্বালাও-পোড়াও, ভাঙচুর করো, মানুষকে হত্যা করো এসব কথা আমার নেত্রী শেখ হাসিনা শেখাননি। তিনি বলেন, অবরোধ-হরতাল ডেকে মানুষ মারা হচ্ছে, সহিংসতা সৃষ্টি করা হচ্ছে, গাড়ি পুড়ছে, দেশের সম্পদ নষ্ট হচ্ছে। জনগণের ক্ষতি হচ্ছে, সর্বনাশ হচ্ছে। যারা হরতাল-অবরোধ করছে, তারা কি বুঝে না দেশটা সবার! বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলন কার বিরুদ্ধে। কিসের আন্দোলন? যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করার জন্য আন্দোলন কি না প্রশ্ন রেখে ওমর ফারুক বলেন, তাদের (যুদ্ধাপরাধী) বিচার হচ্ছে তাতে কি বেগম খালেদা জিয়া কষ্ট পেয়েছেন? মন খারাপ করেছেন? তিনি কি তাহলে বাংলাদেশের বিজয় চাননি। সেই জন্যই কি আন্দোলনের মাস হিসেবে ডিসেম্বরকে বেছে নিয়েছেন? 

পিটিয়ে, কুপিয়ে বিশ্বজিৎ দাসকে হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, তার মতো নিরীহ তরুণকে হত্যা করে তারা যে পাশবিকতার পরিচয় দিয়েছে, এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এ থেকেই প্রমাণিত, তারা নৈরাজ্যকর অবস্থা চালাচ্ছে। বিভিন্ন প্রচার চালানো হয়েছে যে এটা ছাত্রলীগ করেছে। কিন্তু বিভিন্নভাবে তদন্ত করে দেখা হয়েছে এটা ছাত্রলীগ করেনি। এ জঘন্য মর্মান্তিক কাজ করেছে যারা তারা কেউ ছাত্রলীগের নয়। 

বিজয় মাসে রাজপথ বেছে নেয়ার কারণ উল্লেখ করে ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রক্রিয়া যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে, তখনই তা পণ্ড করতে খালেদা জিয়া-জামায়াত রাজপথে নেমেছে এবং বেছে নিয়েছে সহিংস উপায়। বিদেশি অতিথিরাও তাদের নির্যাতন থেকে রেহাই পাননি। কয়েকটি বিষয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, হরতাল ডাকা যদি রাজনৈতিক অস্ত্র হয়, যদি গণতান্ত্রিক অধিকার হয়, তবে সংবাদপত্রের গাড়ি ভাঙচুর, হরতাল করতে মানুষকে বাধ্য করা, পথচারীকে আক্রমণ, এসব কী অধিকার? 

প্রবাসীদের পাঠনো রেমিটেন্সের কথা উল্লেখ করে ওমর ফারুক বলেন, দেশে বছরে প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলার আসছে বিদেশ থেকে। প্রবাসীরা এদেশে এসেই চরম হয়রানির শিকার হয়। বিমানবন্দরে নামার পরই তাদের বহনকারী টেক্সিক্যাবের ওগর হামলা-ভাঙচুর চলে, জ্বালিয়ে দেয়া হয়। হরতাল-অবরোধের নামে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। যারা বিদেশ থেকে অর্থ এনে আমার দেশকে দিচ্ছে, দিন-রাত অমানুষিক পরিশ্রম করে দেশের জন্য অর্থ রোজগার করছে তাদের ওপর নেমে আসে নির্যাতন। তারা দেশের জন্য অর্থ রোজগার করবেন আর দেশে এসে নির্যাতনের শিকার হবেন তা তো হতে পারে না। 

ওমর ফারুক বলেন, এসব অপকর্ম করে এ জাতির অগ্রযাত্রা ব্যাহত করার সাধ্য কারো নেই। আওয়ামী লীগ নির্বাচনের আগে ওয়াদা করেছিল ক্ষমতায় গেলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার জাতির দাবিও ছিল। আওয়ামী লীগ ওয়াদা পূরণ করেছে। যুদ্ধপরাধীদের বিচার চলছে। তিনি বলেন, যারা লুটপাট করে দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করেছে, যারা স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করে দিতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষ আজ সোচ্চার।

রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার তথ্যকণিকা

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

চেয়ারম্যান ডেস্ক

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

সাধারণ সম্পাদক ডেস্ক

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

যুবলীগ প্রকাশনা