যুবলীগ সংবাদ :

শোকাবহ আগস্ট মাসব্যাপী বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কর্মসূচী যুবজাগরণ পাঠাগার ও বিক্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন বঙ্গমাতাকে নিয়ে যুবলীগের স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে : যুবলীগ চেয়ারম্যান জঙ্গিমুক্ত দেশ গড়তে যুবলীগের শপথ রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস পালিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে যুবলীগের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী বইমেলায় যুবলীগের নান্দনিক আয়োজন যুবলীগ চেয়ারম্যান সম্পাদিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির ৭৭ তম জন্মদিন পালিত। পৌর নির্বাচনী প্রচারণায় যুবলীগের কমিটি গঠন মোমবাতি জ্বালিয়ে শহীদদের প্রতি যুবলীগের শ্রদ্ধা মালয়েশিয়ায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অগ্রযাত্রার মিছিলে তারুণ্যের প্রেরণা আর সাহসের দিন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস---যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী
‌‘খালেদা জিয়ার আনলাকি থার্টিন প্রস্তাব অগণতান্ত্রিক’
2016/12/05 01:52 PM
মুুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ শেখ ফজলুল হক মণি’র ৭৮ তম জন্মদিনে আলোচনা সভায় যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন- শেখ মণি লেখা পড়া করার সময় থেকেই সক্রিয় ভাবে ছাত্র রাজনীতির সংগে জড়িত হন। ১৯৬০ সালে পুর্ব পাকিস্থান ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। আন্দোলন, সংগ্রাম, মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার ছিল, জেল জুলুম নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার। ছাত্ররাজনীতি, যুব রাজনীতি, শ্রমিক রাজনীতি সুসংগঠিত করেছেন। তিনি একজন আদর্শ নিষ্ঠাবান রাজনীতিবিদ সংগঠক, সুবক্তা, সুলেখক। তিনি সম্পাদকীয় ছাড়াও স্বনামে-বেনামে, উপ-সম্পাদকীয় ও প্রবন্ধ লিখতেন। তাঁর নিজ সম্পাদনায় বাংলার বাণী, বাংলাদেশ টাইমস, সিনেমা পত্রিকা প্রকাশ করেন। দৈনিক ইত্তেফাক ও দি পিপলস পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে মুজিব বাহিনীর চারজন সেক্টর কমান্ডারের একজন ছিলেন। তিনি ঢাকা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেট, চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম সমন্বয়ে গঠিত পুর্বাঞ্চাল সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন। ’৭১ সালে তাঁর নেতৃত্বে বিএলএফ পার্বত্য চট্টগ্রামে হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত করে ১৬ ডিসেম্বর রাঙ্গামাটিতে সর্বপ্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। যুবক, শ্রমিক আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা হলে শেখ মণি দলের অন্যতম সম্পাদক নিযুক্ত হন। যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন-সাফল্য অর্জন করতে হলে স্বপ্ন দেখতে হবে- বাংলাদেশ অপার সম্ভাবনার দেশ। এদেশে তরুনদের সাফল্যের ক্ষেত্র অনেক বেশী, তবে সাফল্য অর্জন করতে হলে স্বপ্ন দেখতে হবে আর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে পরিশ্রম করতে হবে। কাজের প্রতি একনিষ্ঠ হতে হবে। প্রয়োজন সদিচ্ছা, আতœবিশ্বাস, একনিষ্ঠতা। যার যে বিষয় আগ্রহ তার সে বিষয় ই কাজ করতে হবে। তবে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অবশ্যই নির্দিষ্ঠ করতে হবে। হতাশা কখনো সফলতা এনে দিতে পারে না। লক্ষ্যে পৌঁছাতে নানা প্রতিবন্ধকতা আসবে। প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা কওে সাফল্যেও দোরগোড়ায় যাওয়ার আকাঙ্খাই কেবল সাফল্য এনে দিতে পারে। নিজের ভিতরের শক্তিকে আবিস্কার করতে হবে। তাহলেই সামনে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব। নিজেকে চিনতে হবে সঠিকভঅবে জানতে পারলেই সাফল্যের পথে এগিয়ে চলা সম্ভব। শুধু প্রতিভা দিয়েই সাফল্য লাভ করা যায় না। গণতন্ত্র উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার পথে প্রধান সম্পদ রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার বিশ্ব শান্তির দর্শন “জনগণের ক্ষমতায়ন”। তাই আজ বিশ্বের কারখানা হবে দক্ষিণ এশিয়ার এই বাংলাদেশ। বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনে উন্নয়নশীল দেশের শীর্ষে বাংলাদেশ। তাই আজ সাদা এলাচ সহ দেশেই ১৩ মসলার ২৮ উফশীজাত উৎপাদন, যে কোন মৌসুমে পিয়াঁজ আবাদ করা যাবে। ওয়াল্ড ওয়েলথ রিপোর্ট বাংলাদেশের মানুষের সম্পদ বেড়েছে। সবুজ পোশাক শিল্পে শীর্ষে বাংলাদেশ, সবুজ শিল্পে নিরব বিপ্লব। বাংলাদেশে এখন নারীর চুলও রপ্তানী হয়। পাহাড়ে ফল চাষে বিপ্লব। বাংলাদেশের মধু যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ স্লোভেনিয়ায়। বাংলাদেশ এখন খাদ্য রপ্তানীর দেশ, আগ্রহ দেখাচ্ছে ইরাক, মিশর, মালদ্বীপ, নাইজেরিয়া, মরক্কো, সাউথ আফ্রিকাসহ বেশ কয়েকটি দেশ। পদ্মা সেতু চালু হলে মংলা হবে ঢাকার কাছের বন্দর। এখন বাংলাদেশের ফল, মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির হার বিশ্বের অন্য যে কোন দেশের চেয়ে বেশী। প্রতিদিনই বাড়ছে সবজি উৎপাদন। যুবলীগ চেয়ারম্যান আরো বলেন- খালেদা জিয়া ভোট সুরক্ষার বিশদ ফর্মূলা দিয়েছেন- কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে অন্যতম মাপকাঠি সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা। এ যাবৎকাল সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোকে ঐক্য প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার কথা বলেছেন-কি জামায়াতকে সাথে নিতে হবে? গ্রহণযোগ্য কমিশন করতে হবে। খালেদা জিয়াকে শুভ চিন্তার যোগফলে তৈরি হতে হবে-মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী হতে হবে। তিনি আরো বলেন-মৃত্যু আমাকে নেবে, জাতিসংঘ আমাকে নেবে না। যারা সিরীয় শরণার্থীদের জন্য কেঁদেছে, রোহিঙ্গাদের জন্য তাদের হৃদয় কেন পাথর হয়ে গেল। আর আমরা? আমাদের নিজেদের অমানবিক ও শরণার্থী বিরোধী ভূমিকা নিয়ে কোন অর্জনটা করেছি আসলে? রাখাইনে চলছে গণহত্যা। যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী আরো বলেন- খালেদা জিয়ার আনলাকি থার্টিন (১৩) প্রস্তাব অগণতান্ত্রিক, খালেদা জিয়ার আরেক নাম বিগ লায়ার। অগনতান্ত্রিক ও অরাজনৈতিক ব্যবস্থার উপর বেগম খালেদা জিয়ার উপর যতটা আস্থা, ততটা রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উপর নেই। তারপরও তিনি গণতন্ত্র গণতন্ত্র বলে সব সময় চিৎকার করেন। বেগম জিয়ার ফর্মুলা মেনে নির্বাচন কমিশন গঠন ও নির্বাচন করতে গেলে দেশের রাজনৈতিক অচলাবস্থার সৃষ্টির আশঙ্কাই বেশী। ভোট সুরক্ষা বিশদ ফর্মুলা দিয়েছেন ১৩ দফায়- তার আগ্রহ প্রকাশের আড়ালে বেগম জিয়া ৭১ এর যুদ্ধাপরাধী এবং অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দল জামায়াতকে কিভাবে পেছনের দরজা দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া যায় সেই চেষ্টাই বিশেষভাবে করেছেন। অন্য প্রস্তাবগুলো- দেশে গণতান্ত্রিক শাসনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সাহায্য না করে তা নষ্ট করার কাজেই সহায়তা করলেন। ঘুরেফিরে নাম পাল্টে নির্বাচনকালে তত্বাবধায়ক সরকার প্িরতষ্ঠার ফর্মূলা দিয়েছেন “নিরপেক্ষ নির্বাচনকালিন সহায়ক সরকার”। তত্বাবধায়ক সরকারের সঙ্গে সহায়ক সরকারের পার্থক্যটা কি? একমাত্র নাম বদল। নির্বাচনের সময়সূচী ঘোষণার পর থেকে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহল পর্যন্ত সরকারের স্বরাষ্ট্র, অর্থ, তথ্য, জনপ্রশাসন, স্থানীয় সরকার, শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা, পররাষ্ট্র, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে রাখতে হবে। অর্থাৎ নির্বাচনের সময়সূচী ঘোষণার পর নতুন সরকার মানে “ সহায়ক সরকার” দায়িত্ব নেওয়া পর্যন্ত বেগম জিয়ার পছন্দ মতো গঠিত নির্বাচন কমিশনই হবে প্রশাসনিক সরকার। যার অর্থ নির্বাচনের সময়সূচী ঘোষণার পরেই বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারকেই সব ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হবে। কার্যত ক্ষমতায় থাকবে অনির্বচিত নির্বাচন। অর্থাৎ অগণতান্ত্রিক ও অরাজনৈতিক ব্যবস্থার উপর বিএনপির নেত্রীর যতটা আস্থা, ততোটা রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উপর নেই। আর একটি প্রস্তাবে বলা হয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারের যোগ্যতা-অযোগ্যতা ও মনোনয়নের প্রশ্নে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনায় সকল দলের ঐক্যমত প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত এই আলোচনা অব্যাহত রাখতে হবে। এই প্রস্তাবের উদ্দেশ্যটা স্পষ্ট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রস্তাবিত বৈঠকে সংখ্যা গরিষ্ঠ সিদ্ধান্ত বিএনপি মানবে না, আলোচনা শেষ করতে না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখবে এবং নির্বাচন পরিস্থিতি অনুকূলে মনে না হলে নির্বাচন ঝুলিয়ে রাখবে এবং দেশে অনিশ্চয়তাও সৃষ্টি করতে পারে। ১৩ দফায় প্রতিরক্ষা বাহিনীকে নির্বাচনে যুক্ত করে তাদের হাতে ম্যাজিস্টেসি ক্ষমতা দানের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিট্রিশ আমল থেকে বহু ছোট বড় নির্বাচন হয়েছে, জরুরি প্রয়োজনে নির্বাচনী এলাকায় পুলিশ কিংবা সামরিক বাহিনীও মোতায়েন রাখা হয়েছে। কিন্তু তাদের হাতে ম্যাজেস্টিসির ক্ষমতাদানের কোন উদাহরণ বিএনপি নেত্রী দেখাতে পারবেন কি? দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সেনাবাহিনীকে টেনে আনার এই প্রস্তাব কেন? সেটাই রহস্য। নানা রকম শর্ত, প্রস্তাব ও ফর্মূলা তুলে রাজনীতি কলুষিত করা ছাড়া আর কিছুই না। যত শর্ত, প্রস্তাব, ফর্মূলা দিক ২০১৯ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকারের ব্যবস্থাধীনে বিএনপির অস্তিত্ব রক্ষায় নিজেরাই আসবেন। সামরিক একনায়ক জেনারেল জিয়াউর রহমান ও জেনারেল এরশাদ এবং বেগম খালেদা জিয়া সম্পদশালীদের সামাজিক ও রাজনৈতিক দূর্বৃত্তায়নের সঙ্গে জড়িয়েছেন। আমাদের শিক্ষা, অর্থনৈতিক মান ও রাজনৈতিক দায়িত্বশীলতার মূল কারণ। রূঢ় বাস্তবতা-যে মানুষের ক্ষমতায়নকে বাধাঁগ্রস্ত করার যে ঐতিহাসিক পরম্পরা সেটা রক্ষার যে বেড়ি তা আমাদের ভাঙ্গতে হবে। যুবলীগ চেয়ারম্যান জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে বলেন- স্থানীয় সরকারের মধ্যে সেরা স্তর হয়েও স্বাধীনতার পর প্রথম নির্বাচন হচ্ছে, আপনি উপজেলা, সিটি বা পৌরসভা শব্দ সংসদে আইন করেও বাতিল বা পাল্টাতে পারেন কিন্তু জেলা শব্দ বদলাতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নির্বাচক মন্ডলী দিয়ে গোপন ব্যালটে ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬, জেলায় জেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গোপন ব্যালটে জেলা পরিষদ নির্বাচক মন্ডলীর ভোট আমাদের ইতিহাসে একদম নতুন জেলা পরিষদ নির্বাচনে আমাদের একটা সান্তনা অবশ্য আছে। নাগরিকদের যানমালের নিরাপত্তা নিয়ে তেমন উদ্বেগ নেই। আগে উন্নয়ন পরে গণতন্ত্র। এটা আওয়ামী লীগের যুক্তি কে বলেছে? কথাটি ঠিক নয়। এমন কথা আওয়ামী লীগ বলেনি। বাংলা ভাষায় একটি বহুল প্রচলিত কথা আছে-নিজের ভাল নাকি পাগলেও বোঝে কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া বুঝতে পারেননি, ভবিষ্যতে পারবেন কি? আরো বক্তব্য রাখেন- যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ হারুনুর রশীদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ সেরনিয়াবাত, মজিবুর রহমান চৌধুরী, জাকির হোসেন খান, আনোয়ারুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম শাহীন, সুব্রত পাল, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুল ইসলাম মিজু, ঢাকা মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, সহ-সভাপতি জাফর আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক তাসভীরুল হক অনু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সারোয়ার হোসেন মনা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা প্রমুখ

রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার তথ্যকণিকা

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

চেয়ারম্যান ডেস্ক

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

সাধারণ সম্পাদক ডেস্ক

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

যুবলীগ প্রকাশনা