যুবলীগ সংবাদ :

শোকাবহ আগস্ট মাসব্যাপী বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কর্মসূচী যুবজাগরণ পাঠাগার ও বিক্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন বঙ্গমাতাকে নিয়ে যুবলীগের স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে : যুবলীগ চেয়ারম্যান জঙ্গিমুক্ত দেশ গড়তে যুবলীগের শপথ রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস পালিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে যুবলীগের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী বইমেলায় যুবলীগের নান্দনিক আয়োজন যুবলীগ চেয়ারম্যান সম্পাদিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির ৭৭ তম জন্মদিন পালিত। পৌর নির্বাচনী প্রচারণায় যুবলীগের কমিটি গঠন মোমবাতি জ্বালিয়ে শহীদদের প্রতি যুবলীগের শ্রদ্ধা মালয়েশিয়ায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অগ্রযাত্রার মিছিলে তারুণ্যের প্রেরণা আর সাহসের দিন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস---যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী
রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস পালিত
2016/06/12 03:55 PM

যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশে ৭৫ এর পরবর্তী রাজনীতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা হলেন গনতন্ত্রের সমার্থক, গনতন্ত্রের প্রতীক।

শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তর ও দক্ষিন এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত গুলিস্তান মহানগর নাট্যমঞ্চে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এ কথা বলেন।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেছেন, ১১জুন ২০০৮। বাংলাদেশের গনতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে অনন্য একটি দিন। বাংলাদেশের অবরুদ্ধ গনতন্ত্র মুক্তির পথ এদিন উম্মোচিত হয। দীর্ঘ প্রায় ১১ মাস কারাভোগের পর মুক্তিপান গনতন্ত্রকন্যা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা। শান্তির দূত শেখ হাসিনার হাত ধরেই এ দেশের মানুষ ১৯৭৫ এর পর ফিরে পেয়েছিল তাদের হারানো গনতন্ত্র। যখনই এ দেশের মানুষ অধিকার হারা হয়েছে, গনতন্ত্রহীন হয়েছে, তখনই গনতন্ত্রের সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়েছেন গনতন্ত্রের এই অকুতোভয় নেত্রী। বাংলাদেশে তাই ৭৫ এর পরবর্তী রাজনীতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা হলেন গনতন্ত্রের সমার্থক, গনতন্ত্রের প্রতীক।

দেশে যখনই গনতন্ত্র আক্রান্ত হয়েছে, তখনই আক্রান্ত হয়েছেন রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা। কখনো তাঁকে হত্যা করে গনতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এ সব ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করেই তাঁর সততায় জাতির পিতার আদর্শ বুকে ধারণ করে জনগনের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে শেখ হাসিনা জনগনের মুক্তিদাত্রী হিসেবে আর্বিভূত হয়েছেন।

১১ জুন তাই কেবল গনতন্ত্রকন্যা, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার মুক্তি দিবস নয়, ১১ জুন অর্গলবন্দ গনতন্ত্রের অর্গল মুক্তি দিবস। ১১ জুন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা দিবস। ১১ জুন জনগনের ক্ষমতায়নের দিবস। তার দুরদর্শী নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে যে বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করেছে, সারা বিশ্বে তা প্রশংসিত হয়েছে। উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রায় রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অংশ নিয়ে সোনার বাংলা গড়ে তুলতে অবদান রাখতে সবাইকে উদাত্ত আহবান জানান যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী।

দেশের মানুষকে হত্যা করে এবং দেশের বিরুদ্ধে গোপনে ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগকে শূন্য করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী।

তিনি আরো বলেছেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য ১৯ বার চেষ্টা করেছে বিএনপি-জামায়াত। কিন্তু দেশবাসির দোয়া এবং মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের অশেষ রহমতে তিনি বার বার ষড়যন্ত্রকারীদের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছেন।

index4
২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে বিএনপি-জামায়াত দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটিয়ে একের পর এক নেতাদের হত্যা করে আওয়ামী লীগকে নির্মূল করতে চেয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ৩৬ বছরের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ইতিহাসে জেল-জুলুম ও হত্যাপ্রচেষ্টা মোকাবিলা করেই সামনের দিকে এগিয়ে গেছেন। এই সময়কালে তিনি একাধিকবার কারাবরণ করেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রতিকুলতা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হয় ২০০৭ সালে গ্রেফতারের পর। এবার তাকে রাজনীতি থেকে চিরতরে বিদায় করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হয়। তিনি তার বিচক্ষন, দুরদর্শি ও কূটনৈতিক মেধার মাধ্যমে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে কারাপ্রাচীর ভেঙ্গে নিজে মুক্ত হন এবং একইসাথে সমগ্র জাতিকে ভবিষ্যত অন্ধকার থেকে মুক্ত করেন এবং একটি স্বচ্ছ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। সেদিনের সেই ষড়যন্ত্রকারিরা আজও তৎপর। ওদের ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায়ই ২০১৪-২০১৫ সালে রাজপথে জ্বালাও-পোড়াও এবং অগ্মিসংযোগে মানুষ হত্যা করেছে। এই ষড়যন্ত্রে ব্যর্থ হয়ে আজ আবার দেশকে অস্থিতিশীল করতে একের পর এক গুপ্তহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের নিরীহ মানুষ হত্যার পাশাপাশি বিদেশী নাগরিকদের হত্যা করে দেশকে নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সেদিনের ষড়যন্ত্রকারিরা গা ঢাকা দিলেও তাদের রাজনৈতিক নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নবরুপে আজকে ষড়যন্ত্রের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে হাজির হয়েছেন। এটা আজ সমগ্র জাতির কাছে পরিষ্কার। তাই বেগম খালেদা জিয়াকে নিষ্কৃয় করতে পারলে সকল অপতৎপরতা বন্ধ হবে।

খালেদা ভেবেছিল বঙ্গবন্ধু কন্যা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ  নেতাদের হত্যা করে বাংলাদেশকে আওয়ামী লীগ শূন্য করা যাবে। তাদের সে আশা পূরণ হয়নি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব নিয়েছেন। এর ধারাবাহিকতায় আজকে বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে একটি রোল মডেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিন শাখার সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারন সম্পাদক ইসমাইল হোসেন-এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মো: হারুনুর রশীদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ সেরনিয়াবাত, মজিবুর রহমান চৌধুরী, ফারুক হোসেন, মাহবুবুর রহমান হিরন, আবদুস ছাত্তার মাসুদ,আতাউর রহমান, অধ্যাপক এবিএম আমজাদ হোসেন, আনোয়ারুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক সুব্রত পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম, ফজলুল হক আতিক, আসাদুল হক আসাদ, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুল ইসলাম মিজু, ইকবাল মাহমুদ বাবলু, শ্যাম কুমার রায়, রবিউল আলম, তাজউদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, জোবায়েদুল হক রাসেল, কেন্দ্রীয় নেতা রওশন জামির রানা, মনিরুল ইসলাম হাওলাদার, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি আলহাজ্ব মাঈনুল হোসেন খাঁন নিখিল, সহসভাপতি আবু জাফর, সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল উদ্দিন আহমেদ, সিদ্দিক বিশ্বাস,শাহাদাত হোসেন সেলিম, ঢাকা মহানগর দক্ষিনের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, সহসভাপতি সরোয়ার হোসেন মনা, আনোয়ার ইকবাল সান্টু, মোরসালিন আহমেদ, হারুন অর রশীদ,যুগ্ম সম্পাদক জাফর আহমেদ রানা, ওমর ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বকুল, মাকসুদুর রহমান, দফতর সম্পাদক এমদাদুল হক এমদাদ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মার্শীদ শুভ প্রমূখ।

index

শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে শনিবার দুপুরে গনভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরীর নেতৃত্বে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ সাধারন সম্পাদক মো: হারুনুর রশীদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ সেরনিয়াবাত, মজিবুর রহমান চৌধুরী, ফারুক হোসেন, মাহবুবুর রহমান হিরন, আবদুস ছাত্তার মাসুদ,আতাউর রহমান, অধ্যাপক এবিএম আমজাদ হোসেন, আনোয়ারুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক সুব্রত পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক বদিউল আলম, আসাদুল হক আসাদ, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুল ইসলাম মিজু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি আলহাজ্ব মাইনুল হাসান খাঁন নিখিল, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা।

রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার তথ্যকণিকা

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

চেয়ারম্যান ডেস্ক

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

সাধারণ সম্পাদক ডেস্ক

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

যুবলীগ প্রকাশনা