যুবলীগ সংবাদ :

শোকাবহ আগস্ট মাসব্যাপী বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কর্মসূচী যুবজাগরণ পাঠাগার ও বিক্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন বঙ্গমাতাকে নিয়ে যুবলীগের স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে : যুবলীগ চেয়ারম্যান জঙ্গিমুক্ত দেশ গড়তে যুবলীগের শপথ রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস পালিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে যুবলীগের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী বইমেলায় যুবলীগের নান্দনিক আয়োজন যুবলীগ চেয়ারম্যান সম্পাদিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির ৭৭ তম জন্মদিন পালিত। পৌর নির্বাচনী প্রচারণায় যুবলীগের কমিটি গঠন মোমবাতি জ্বালিয়ে শহীদদের প্রতি যুবলীগের শ্রদ্ধা মালয়েশিয়ায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অগ্রযাত্রার মিছিলে তারুণ্যের প্রেরণা আর সাহসের দিন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস---যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী
"বিশ্বসভায় রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা ও যুবলীগের শ্রদ্ধা "
2015/09/21 02:11 PM

..........মোহাম্মদ ওমর ফারম্নক চৌধুরী
চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ

 

আশা ছাড়া মানুষ হয় না। জ্ঞানীজনেরা বলেছেন, মানুষ বড় তার আশার সমান। বাঙালি জাতির মনে অনেক বড় একটি আশার বীজ বুনে দিয়েছেন রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা। আশাবাদ শুনিয়েছেন আগামী ২০৪১ সালের মধ্যেই এই দেশ আমূল বদলে যাবে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে এক সারিতে উঠে আসবে আমাদের বাংলাদেশ।

এই স্বপ্ন এখন আর দিবাস্বপ্ন বলে মনে হচ্ছে না কারও কাছেই। মনে হচ্ছে তা সম্ভব। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অনেক সাফল্যের মধ্যে এটি তাৎপর্যপূর্ণ যে গণমানুষকে তিনি যে আশার কথা, স্বপ্নের কথা শুনিয়েছেন, তা গ্রহণযোগ্য মনে হয়েছে মানুষের কাছে। মানুষ তাঁর কথায় আস্থা পাচ্ছে, বিশ্বাস করছে। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন যে কোনো দেশকালেই একজন রাজনৈতিক নেতার অন্যতম প্রধান সাফল্য এবং শক্তি। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও দেশের সব সত্মরের মানুষের এই আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পেরেছিলেন। এবং তা পেরেছিলেন বলেই পরাধীন জাতিকে স্বাধীনতার সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করে রক্তক্ষড়ী যুদ্ধে বিজয় অর্জন করে জাতিকে স্বাধীন করেছিলেন। তিনি অভিষিক্ত হয়েছেন বাঙালি জাতির জনক অভিধায়।

রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাও অর্জন করেছেন জাতির অনুরূপ আস্থা । এ আস্থা অর্জিত হয়েছে তাঁর দূরদর্শী বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, সময়োপযোগী কর্মপরিকল্পনা এবং তা বাসত্মবায়নের সক্ষমতায়। তিনি জাতির সামনে প্রমাণ করেছেন, যারা যত নেতিবাচক কথাই বলুক না কেন, পরিসি'তি-পরিবেশ যত বৈরীই হোক না কেন, তার মধ্যে থেকেও সদিচ্ছার বাস্তবায়ন করা সম্ভব। গত ১২ বছরের রাষ্ট্র পরিচালনা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৬৬ বছরের ইতিহাসে ৩৪ বছরের নেতৃত্বে এমন অনেক উদাহরণই তিনি স্থাপন করেছেন জাতির সামনে। তার বিস্তারিত বিবরণ দিতে গেলে আক্ষড়িক অর্থেই তা হবে এক দীর্ঘ মহাকাব্যিক উপস্থাপনা।

মোটা দাগে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার প্রতি জনগণের আস্থার নিয়ামকগুলো বিশেস্নষণ করলে দেখা যাবে, তিনি জনসাধারণের গভীরতম প্রত্যাশাটিকে অনুধাবন করতে পেরেছেন, হৃদয়ঙ্গম করছেন এবং তা বাস্তবায়নে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করছেন। সর্বোপরি তা করেও দেখিয়েছেন। মহাকালের বিবেচনায় তো বটেই, এমনকি ব্যক্তিমানুষের জীবনেও ১২ বছর খুবই সামান্য সময়। এর মধ্যেই তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশের ১৬ কোটি মানুষের তিন বেলা আহারের সংস্থান নিশ্চিত করেছেন। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যপীড়িত বিশ্বে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে দেখিয়ে দিয়েছে, বাঙালি দুর্ভিক্ষকে জাদুঘরে পাঠাতে সক্ষম হয়েছে। ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’টি এখন ফলে-ফসলে উপচে পড়া এক মনোরম মালঞ্চে পরিণত হয়েছে।

প্রযুক্তিতে পিছিয়ে থাকা দেশটিকে যখন তিনি বলেছিলেন পরিণত করবেন ডিজিটাল বাংলাদেশে, অনেকের কাছেই তখন তা মনে হয়েছিল অতিরঞ্জিত কথন। যেমন প্রায়ই রাজনীতিকেরা তাঁদের মেঠো বক্তৃতায় বলে থাকেন। রাষ্ট্রনায়ক অত্যন্ত জটিল, সর্বাধুনিক ও ব্যয়বহুল এই প্রযুক্তিকে অকল্পনীয় স্বল্প সময়ে দেশের তৃণমূল পর্যায়ে সম্প্রসারিত করে দেখিয়ে দিলেন, সম্ভব। সদিচ্ছা ও দৃঢ় প্রত্যয় থাকলে কঠিনও সহজ হয়ে যায়।

দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে মুক্তির স্বপ্ন দেখালেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতির সামনে এই আশার বাণী শোনালেন ২০২১ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের সীমা অতিক্রম করবে বাংলাদেশ। অতদূর যেতে হলো না। এর ছয় বছর আগেই স্বীকৃতি এলো দারিদ্র্যের সীমা অতিক্রম করছে বাংলাদেশ। উঠে এসেছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের সারিতে। প্রধানমন্ত্রী উচ্ছ্বসিত হলেন না এই অর্জনে। বললেন, বাংলাদেশ এখন আর ‘নিম্ন’ স্থানে থাকতে চায় না। ২০২১ সালের যে লক্ষ্য মাত্রা, তার ভেতরেই মধ্যম আয়ের দেশের সারিতে উঠে আসবে। এই কারণেই যখন তিনি বললেন ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের সারিতে উঠে আসবে, তখন আর তা অসম্ভব মনে হচ্ছে না দেশের মানুষের কাছে। এ ক্ষেত্রে একটি লক্ষনীয় দৃষ্টান্ত ও তিনি রেখেছেন যে তিনিই দেশে প্রথম এমন নির্দিষ্ট বিষয়ে, নির্দিষ্ট সময়ে, নির্দিষ্ট লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে অনেকে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বা ছোটখাটো বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন। কিন' জাতিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার মতো এমন নির্দিষ্ট এজেন্ডা নিয়ে কেউ আগে কখনো কাজ করেননি।

দ্রততম সময়ে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার এই ব্যাপক সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে তাঁর কালজয়ী রাজনৈতিক দর্শন। জনগণের ক্ষমতায়নের মধ্য দিয়ে উন্নয়ন কর্মযজ্ঞের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছেন তাদের। এই জনগণের শক্তিই ঘুরিয়ে দিয়েছে অগ্রগতির চাকা। এর পাশাপাশি তিনি নারী ও প্রানিত্মক জনগোষ্ঠীকে সমন্বিত করেছেন উন্নয়নের মূল স্রোতধারায়। সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত হওয়ায় সামষ্টিক অগ্রগতিতে সৃষ্টি হয়েছে অভাবিত গতির সঞ্চার। বাংলাদেশ বিশ্বের চোখে পরিণত হয়েছে ‘উন্নয়নের বিস্ময়’ হিসেবে। সারা বিশ্ব থেকে এসেছে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার এই অর্জনের স্বীকৃতি। বিশ্ববরেণ্য অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ, রাষ্ট্রপ্রধান এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আনত্মর্জাতিক সংস'া ও সংগঠন স্বীকৃতি দিয়েছে, অভিনন্দন জানিয়েছে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার এই বিস্ময়কর সাফল্যের প্রতি। এর মধ্য দিয়ে ব্যক্তি হিসেবে যেমন শেখ হাসিনা বর্তমান বিশ্বের একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তেমনি বাংলাদেশের সুনামও ছড়িয়ে পড়েছে বহির্বিশ্বে। তাঁর নেতৃত্বে অর্জিত বাংলাদেশের সাফল্যের মডেল এখন অনুসৃত হচ্ছে বিশ্বের অনেক দেশে। সর্বশেষ রাশিয়ান একাডেমি অব সায়েন্সের ইনস্টিটিউট অব ওরিয়েন্টাল স্টাডিজ রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার একটি জীবন ও কর্মের ওপর একটি গ্রন' প্রকাশের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। সম্প্রতি একাডেমির প্রধান ড. ভিটালি ভি নুমকিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে তাঁর সংস্থার এই আগ্রহের কথা জানান। বইটি প্রকাশিত হবে রুশ, ইংরেজি, আরবি, বাংলা ভাষাসহ বিভিন্ন ভাষায়। এর আগে এই সংস্থাটি মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদের ওপর এ ধরনের একটি বই প্রকাশ করেছে। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার এই অর্জন বাংলাদেশ ও দেশের ১৬ কোটি মানুষেরই অর্জন।

রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা আনত্মর্জাতিক পরিমন্ডলে যে স্বীকৃতি, সম্মাননা, অভিনন্দন ও অভিজ্ঞান পেয়েছেন তা তুলে ধরতে এই প্রকাশনার আয়োজন করেছে দেশের ঐতিহ্যবাহী যুব সংগঠন আওয়ামী যুবলীগ। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অর্জন যেমন ব্যাপক, তেমনি তার তাৎপর্যও অত্যন্ত গভীর। এই সংক্ষিপ্ত পরিসর বইতে তা যথাযথ তুলে ধরা অসম্ভব। এখানে বিভিন্ন নিবন্ধ ও চিত্রে সেই সাফল্যের সারসংক্ষেপই তুলে ধরা হলো। এটি রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার প্রতি যুবলীগের বিনম্র্র শ্রদ্ধা।

রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার তথ্যকণিকা

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

চেয়ারম্যান ডেস্ক

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

সাধারণ সম্পাদক ডেস্ক

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

যুবলীগ প্রকাশনা