যুবলীগ সংবাদ :

যুবজাগরণ পাঠাগার ও বিক্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন বঙ্গমাতাকে নিয়ে যুবলীগের স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে : যুবলীগ চেয়ারম্যান জঙ্গিমুক্ত দেশ গড়তে যুবলীগের শপথ রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস পালিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে যুবলীগের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী বইমেলায় যুবলীগের নান্দনিক আয়োজন যুবলীগ চেয়ারম্যান সম্পাদিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির ৭৭ তম জন্মদিন পালিত। পৌর নির্বাচনী প্রচারণায় যুবলীগের কমিটি গঠন মোমবাতি জ্বালিয়ে শহীদদের প্রতি যুবলীগের শ্রদ্ধা মালয়েশিয়ায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অগ্রযাত্রার মিছিলে তারুণ্যের প্রেরণা আর সাহসের দিন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস---যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী
মন্ত্রীদের কয়েকজন ব্যক্তিগত হতাশায় ভুগছেন
2015/09/20 03:15 PM

..........মোহাম্মদ ওমর ফারম্নক চৌধুরী
চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ

 

যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন, যখন আন্তর্জাতিক জরিপে বলা হচ্ছে, আমাদের সরকার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসমর্থন বেড়েছে, ঠিক তখন আমাদের কিছু মন্ত্রী ব্যক্তিগত হতাশায় ভুগছেন। তিনি বলেন, আমরা বকাউল্লাহরা বকে যাই, যারা শোনাউল্লাহ শোনেন। আমাদের দরকার করাউল্লাহ। কাজ করতে হবে। কথা কম বলতে হবে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ মন্তব্য করেন এই যুবনেতা। ধানমন্ডিতে যুবলীগের ‘যুব গবেষণা কেন্দ্র’-এ আলাপকালে দেশের সমসাময়িক রাজনীতি, সংগঠনের কর্মকাণ্ড, আগামীর পরিকল্পনা, সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন তিনি। ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, রাজনীতি মানে দলাদলি ও ক্ষমতার লড়াই নয়। মানুষের কল্যাণে কাজ করা, মানবসেবাই রাজনীতি। কিন্তু এখন সেটা উঠে গেছে। রাজনীতিতে মেধা চর্চা, মননশীলতা ও আত্মসমালোচনার রেওয়াজ উঠে গেছে। রাজনীতি মানে জনসেবা আমরা তা ভুলতে বসেছি। আওয়ামী লীগের ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত যুবলীগের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ প্রসঙ্গে ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, যারা যুবলীগ করে তারা অবশ্যই দেশের সাধারণ মানুষ। কোনো ফেরেস্তা এই সংগঠনে নেই। যখন যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে, তাৎক্ষণিক আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করি। তিনি বলেন, তবে যতটা না ঘটনা ঘটে, তার চেয়ে নীতিবাচক প্রচারই বেশি হয়। দেশের যেখানেই অঘটন ঘটুক না কেন, বলা হয় যুবলীগ করেছে। এটা ঢালাও প্রচার। বাস্তবতা কতটুকু, ঘটনা খতিয়ে দেখলে কিছু দিন পরই সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের বন্ধুরাই লজ্জা পান। কারণ সব ঘটনাই যুবলীগ ঘটায় না। ওমর ফারুক চৌধুরী গণমাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সমালোচনাকে আমরা কখনোই ভয় পাই না। বরং সংশোধনের সুযোগ পাই। যে এলাকা সম্পর্কে আমরা খোঁজখবর রাখি না, সেখানের খোঁজখবর নেওয়ার সুযোগ হয়। বস্তুনিষ্ঠ বিষয়গুলো জানতে পারি। তবে যে কোনো ঘটনা ঘটলেই যুবলীগ করেছে এটা বলা ঠিক নয়। ইতিমধ্যে মাগুরায় মায়ের পেটে শিশুর গুলিবিদ্ধ ঘটনা এবং চাঁদপুরে স্কুলের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনাই এর প্রমাণ করে। প্রথমদিকে গণমাধ্যমে যুবলীগের নাম এলেও পরবর্তীতে সঠিক বিষয়টি উঠে আসে। যেসব গণমাধ্যম যুবলীগ-যুবলীগের ক্যাডার বলে প্রচার করেছে তারাই আবার পরবর্তীকালে সত্য ঘটনাটি দেশবাসীকে জানিয়েছে।  কাজেই গণমাধ্যমের বন্ধুদের কাছ থেকে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে, যেখানেই যে কোনো ঘটনা ঘটবে আপনারা বস্তুনিষ্ঠ তথ্য লিখুন, সংশ্লিষ্টদের নাম-পদবিসহ লিখুন। আমরা ব্যবস্থা নেব। কোনো যুবক একটি অপকর্ম করলেই যুবলীগের নাম দেবেন দয়া করে তা করবেন না। যুবক মানেই যুবলীগ নয়। আওয়ামী লীগের প্রত্যেকটি সংগঠনের সাতটি বিভাগ থাকলেও আমরা ৯টি বিভাগ হিসেবে কাজ করছি। প্রত্যেকটি জেলায় সেন্টারের প্রতিনিধিত্ব করে। আমাদের প্রেসিডিয়াম সদস্যদের নিয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছি বিভিন্ন অভিযোগ শোনা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, তিনি সংগঠনের দায়িত্বে আসার পর যুবলীগকে একটি শৃঙ্খল সংগঠনে রূপদানে কাজ শুরু করেন। সংগঠন মানে আন্দোলন এবং কর্মসূচি। এ দুটিকে বাদ দিলে বিনোদনমূলক ক্লাবে পরিণত হবে। সরকারে থাকলে সংগঠনের মূল কাজ হলো কর্মসূচি। আর বিরোধী দলে গেলে আন্দোলন। সংগঠনবিহীন আন্দোলন যেমন নৈরাজ্যের সৃষ্টি করে, তেমনি আন্দোলনবিহীন সংগঠন বিনোদন ক্লাবে পরিণত হয়। সংগঠনে যত বেশি কর্মসূচি রাখা যাবে, সংগঠন তত বেশি শক্তিশালী হবে। তিনি বলেন, আমাদের আচার-আচরণে পরিবর্তন আনতে হবে। আমরা অনেক সময় এমন ধরনের কথাবার্তা বলি, যা শুভানুধ্যায়ীদের মনে আঘাত করে। আমাদের শক্তি দেশের স্বাধীনতার পক্ষের যুব সমাজ। ফাইভ স্টার, সেভেন স্টার বা কুড়ালতন্ত্র নয়, দেশের সুস্থ মানসিকতা মূল্যবোধসম্পন্ন যুবকদের নিয়েই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া আদর্শের সংগঠন যুবলীগ। তিনি বলেন, এখন আমাদের শক্ত হাতে লাল্টু, বল্টু, পল্টু জঙ্গিবাদদের রুখতে হবে। ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ করার প্রয়োজনীয়তা জানিয়ে ওমর ফারুক বলেন, তিনি সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের যথাযথ যেন মূল্যায়ন হয় সে জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। কেন্দ্রের একজন সদস্য থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায়ের নেতারাও যথাযথ মূল্যায়ন পান। যুবলীগের একজন কর্মীর ইচ্ছা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার সাক্ষাৎ পাওয়া বা তার পাশেই মঞ্চে বসা। আমরা সে ব্যবস্থা করেছি। সম্প্রতি আমরা যখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করি তখন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার সঙ্গেই সাড়ে ৩০০ নেতা-কর্মী এক মঞ্চে বসেছিলেন। এই রেকর্ড অন্য কোনো সংগঠনে নেই। শুধু সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সভামঞ্চে বসবেন আর অন্যরা নিচে থাকবেন- যুবলীগ তা করে না। কারণ নিজের পরিবারকে মূল্যায়ন না করলে বিপদের দিনে অন্যরা পাশে দাঁড়ায় না। যুবলীগের প্রকাশনা কেন্দ্র ‘যুব গবেষণা কেন্দ্র’। যুবলীগই একমাত্র সংগঠন, যে সংগঠনের নিজস্ব প্রকাশনা ও গবেষণা সেল আছে। রাজনীতির আজকে ধরন পাল্টে গেছে। এখন আর পেশি শক্তি দিয়ে রাজনীতি হয় না। রাজনীতি করতে হলে বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জন ও বিশ্ব সম্পর্কে জানতে হবে। আমরা সেই কাজটি করছি যুব গবেষণা কেন্দ্রের মাধ্যমে। ইতিমধ্যে আমরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ওপর ২৮৫টি বই বের করেছি। তার মধ্যে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার দর্শন বইটি জাতিসংঘে জমা দেওয়া আছে। অন্য কোনো রাষ্ট্রনায়কের দর্শনের ওপর প্রকাশনা নেই। এটা কেবল যুবলীগই করেছে। এ ছাড়া ‘শেখ হাসিনার গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম’ এবং ‘গণ পুড়িয়ে তন্ত্র দিয়ে কী করবেন ম্যাডাম’ মহামূল্যবান দুটি বই প্রকাশ করা হয়েছে। সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এখন রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি বইপুস্তকও পড়াশোনা করেন, গবেষণায় মনোযোগী।

রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার তথ্যকণিকা

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

চেয়ারম্যান ডেস্ক

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

সাধারণ সম্পাদক ডেস্ক

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

যুবলীগ প্রকাশনা