যুবলীগ সংবাদ :

যুবজাগরণ পাঠাগার ও বিক্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন বঙ্গমাতাকে নিয়ে যুবলীগের স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে : যুবলীগ চেয়ারম্যান জঙ্গিমুক্ত দেশ গড়তে যুবলীগের শপথ রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস পালিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে যুবলীগের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী বইমেলায় যুবলীগের নান্দনিক আয়োজন যুবলীগ চেয়ারম্যান সম্পাদিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির ৭৭ তম জন্মদিন পালিত। পৌর নির্বাচনী প্রচারণায় যুবলীগের কমিটি গঠন মোমবাতি জ্বালিয়ে শহীদদের প্রতি যুবলীগের শ্রদ্ধা মালয়েশিয়ায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অগ্রযাত্রার মিছিলে তারুণ্যের প্রেরণা আর সাহসের দিন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস---যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী
ঢাকা জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত
2014/04/06 02:41 PM

০৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান মোঃ ওমর ফারুক চৌধুরী। আরো বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ , সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম জাহিদ ওঢাকা সাভার আশুলিয়ার এম,পি মো:এনামুর রহমান এনাম, । সভাপতিত্ব করেন যুবলীগ ঢাকা জেলার সভাপতি সফিউল আজম খান বারকু।

সভা পরিচালনা করেন যুবলীগ ঢাকা জেলার সাধারন সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক এ বি এম আমজাদ হোসেন , দপ্তর সম্পাদক কাজি আনিসুর রহমান, সম্পাদক মন্ডলি- মো: মিজানুল ইসলাম মিজু, ইঞ্জি:মো: ফারুক মিয়া, বাবুল আক্তার বাবলা, উপ সম্পাদক- শেখ বোরহান উদ্দিন বাবু,শ্যমল কুমার রায়,মো:ইসলাম, মিজানুর রহমান তসলিম, সহ-সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন ঢাকা জেলার নেতা- সালাউদ্দিন দোরানি, আবু সোহেল কাজল, কাজল, আব্দুল বারেক, আকমল হেসেন, হাবিবুর রহমান চুনি, আহাম্মেদ মাসুদ, প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান মোঃ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন যারা ইতিহাস রচনা করেন তারা কখনোই ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক করেন না , আর যাদের ইতিহাস গড়ার নূনতম যোগ্যতা নাই তারাই বার বার ইতিহাস নিয়ে বিতর্ক করেন। তিনি বলেন,জিয়া ক্ষমতায় ছিলেন সারে পাঁচ বছর বেগমজিয়া ক্ষমতায় ছিলেন দশ বছর এই দির্ঘ সময় কেউ দাবি করলেন না আজ বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ যখন স্বাধীনতার ৪৩ তম বার্ষিকী উদযাপন করলো লাখো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গেয়ে বিশ্বরেকর্ডের মাধ্যমে।বাঙালী জাতি যখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এগিয়ে যাবার প্রত্যয় ঐক্যবদ্ধ।যখন গোটা জাতি রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এক নবযাত্রার পথে-ঠিক তখনই বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুর্নীতির বরপুত্র তারেক জিয়া, লন্ডন থেকে জাতিকে দিলেন এক কুৎসিত বয়ান। তারেক জিয়া বললেন, জিয়া নাকি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। কি আশ্চর্য, খালেদা জিয়ার বড় পুত্র, দুর্নীতির মহানায়ক। তিনি হঠাৎ এরকম কথা কেন বললেন, যে কথা তার স্বৈরাচারী একনায়ক পিতা পর্যন্ত কোনদিন বলার ধৃষ্টতা দেখায়নি। এখন তার মা বর্তমানে জামাত নেত্রী বেগম খালেদা ও তার ছেলের কথায় সুরমিলাচ্ছে।প্রথমেই বলা দরকার যে, তারেক জিয়ার ও বেগম জিয়ার এই বক্তব্য সংবিধানের প্রতি অবমাননা এবং সংবিধান লংঘন। বাংলাদেশের সংবিধানে সপ্তম অনুচ্ছেদে ১৫০(২) অনুচ্ছেদে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত এই ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে-
বাংলাদেশের সাড়ে সাতকোটি মানুষের অবিসংবিদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রনের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে ১৯৭১ সনের ২৬ শে মার্চ তারিখে ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান করেন এবং বাংলাদেশের মর্যাদা ও অখন্ডতা রক্ষার জন্য বাংলাদেশের জনগনের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান...এই ঘোষণাপত্রে আরো বলা হয়েছে.....‘সংবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি থাকিবেন’...সংবিধানের ৭(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধানের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ রাষ্ট্রদ্রোহীতা। তাই ২৬ মার্চ লন্ডনে পলাতক আত্মস্বীকৃত দুর্নীতিবাজ তারেক জিয়ার বক্তব্য সুস্পষ্ট ভাবে সংবিধান লংঘন এবং রাষ্ট্রদ্রোহীতার সামিল।আমরা সরকারের কাছে দাবী জানাই, অবিলম্বে তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তার বিরুদ্ধে রেড এলার্ট জারী করার দাবী জানাচ্ছি।দ্বিতীয় প্রসংগ হলো তারেক জিয়া এবং বেগম জিয়া কেন এখন এই মন্তব্য করলো?এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আমাদের বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের দিকে তাকাতে হবে।বাংলাদেশের জনগণ এখন রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। গোটা জাতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ। আর খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে একটি ক্ষুদ্র অংশ দেশকে আবার জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসবাদে ফেরত নিতে উদ্যত। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালে খালেদা জিয়া মরিয়া হয়ে উঠেছেন। বাংলাদেশকে আবার জঙ্গীবাদী রাষ্ট্রবানাতে খালেদা জিয়ার ষড়যন্ত্র এখনও চলছে।এই অবস্থায় তারেক জিয়ার এই বক্তব্য কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর মাধ্যমে তারেক প্রমাণ করলেন তিনি বাংলাদেশের পক্ষে নন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে নন। তারেক জিয়া যে জঙ্গীবাদের মুখপাত্র এই একটি বক্তব্য তার প্রামাণ্য দলিল। কারণ বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী কোন মানুষ এধরণের মন্তব্য করতে পারেনা।এধরণের মন্তব্যকারীদের বাংলাদেশের রাজনীতিতে অবিলম্বে নিষিদ্ধ করতে হবে।

যুবলীগ সাধারন সম্পাদক হারুনুর রশীদ বলেন একটি মিমাংসিত ইস্যু নিয়ে স্বাধিনতার ৪৩বছর পর মেজর জিয়ার কুলাঙ্গার পুত্র ইতিহাস বকিৃত করার অপচেষ্টা করেছেন, বেগম জিয়া তা পুনঃরাবৃতি করে প্রমান করে দিয়েছে যে তিনি “শুধু মুখেই বলেন বাংলাদেশ দিলমে পাকিস্থান”।

 

রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার তথ্যকণিকা

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

চেয়ারম্যান ডেস্ক

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

সাধারণ সম্পাদক ডেস্ক

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

যুবলীগ প্রকাশনা