যুবলীগ সংবাদ :

শোকাবহ আগস্ট মাসব্যাপী বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কর্মসূচী যুবজাগরণ পাঠাগার ও বিক্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন বঙ্গমাতাকে নিয়ে যুবলীগের স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে : যুবলীগ চেয়ারম্যান জঙ্গিমুক্ত দেশ গড়তে যুবলীগের শপথ রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস পালিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে যুবলীগের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী বইমেলায় যুবলীগের নান্দনিক আয়োজন যুবলীগ চেয়ারম্যান সম্পাদিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির ৭৭ তম জন্মদিন পালিত। পৌর নির্বাচনী প্রচারণায় যুবলীগের কমিটি গঠন মোমবাতি জ্বালিয়ে শহীদদের প্রতি যুবলীগের শ্রদ্ধা মালয়েশিয়ায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অগ্রযাত্রার মিছিলে তারুণ্যের প্রেরণা আর সাহসের দিন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস---যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী
জাতির পরিচয় মুছে ফেলতে চান বেগম জিয়া?: যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী
03/03/2014 1:03 AM

জাতির পরিচয় মুছে ফেলতে চান বেগম জিয়া?
[মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ] 

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘বেগম জিয়া আজ বাঙালি জাতির পরিচয়, অস্তিত্ব, ঠিকানা মুছে ফেলতে উদ্যত হয়েছেন। যে কোনো মূল্যে বেগম জিয়ার এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।

তিনি বলেন ‘গণতন্ত্রের অভিযাত্রা’ কর্মসূচি আবারো প্রমাণ করল ‘যত গর্জায় ততটা বর্ষায় না।’ বিরোধী দলের আস্ফালন, হুমকি আর্তনাদ দেখে মনে হয়েছিল, লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে পরবে। খালেদা জিয়া বলেছিলেন ‘যে কোনো মূল্যে কর্মসূচি সফল করা হবে।’ কিন্তু নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রাজধানীতে কাকপক্ষী দেখা গেলেও বিএনপির নেতাকর্মীদের দেখা গেল না। ২৯ ডিসেম্বর আবারো প্রমাণ করল, জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া ষড়যন্ত্র হয় কিন্তু আন্দোলন হয় না। কিন্তু ২৯ ডিসেম্বর নিরুত্তাপ জনগণ খালেদা জিয়াকে প্রত্যাখ্যান করলেন। তারা বেগম জিয়ার ডাকে সাড়া দিলেন না। প্রেসক্লাবে কিছু অসাংবাদিকের চিৎকার-চেঁচামেচি এবং সুপ্রীম কোর্টের সামনে কালো কোর্ট পরিহিত কিছু রাজনৈতিক কর্মীর তামাশা ছাড়া ‘গণতন্ত্রের অভিযাত্রা’ ছিল ভাঁওতাবাজি। এ যেন পর্বতের মুসিক প্রসব।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, কিন্তু সকাল পেরিয়ে পরন্ত বিকেলে আপসহীন নেত্রীর অশোভন কিছু খিস্তি হলো ‘গণতন্ত্রের অভিযাত্রা’র একমাত্র প্রাপ্তি। বেগম খালেদা জিয়া বিরোধী দলের নেত্রী। এই সরকারকে ইদানীং প্রায়ই তিনি ‘অবৈধ’ বলেন। তাহলে ‘অবৈধ’ সরকারের, অবৈধ সংসদের বিরোধী দলের নেতা হিসেবে তিনিও অবৈধ। অবৈধ হলেও তিনি সরকারি সুযোগ-সুবিধা ঠিকই নিচ্ছেন। এমনকি যে গাড়িতে উঠে তিনি পল্টন যাত্রার নাটক করলেন, টেলিভিশনের বদৌলতে দেখলাম সেই গাড়িতে জাতীয় পতাকা লাগানো।

ওমর ফারুক চৌধুরী তার বিবৃতিতে বলেন, বেগম জিয়াকে নিরাপত্তার জন্য তার বাসভবন থেকে বেরুতে দেওয়া হয়নি। তিনি যে গৃহবন্দি বা গ্রেপ্তার হননি, তার প্রমাণ পাওয়া গেল বিকেলে। তিনি টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে বেশ কিছু কথা বললেন। গ্রেপ্তার বা গৃহবন্দি কোনো ব্যক্তি নিশ্চয়ই গণমাধ্যমের সামনে এভাবে গালাগাল করতে পারেন না। বিরোধী দলের নেতা একজন সম্মানিত ব্যক্তি। তাই তার কাছে জনগণ সবসময় শালীন এবং শিষ্টাচার সম্মত বক্তব্য আশা করেন। কিন্তু তিনি যে ভাষায় এবং সে স্বরে উপস্থিত আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার লোকজনকে ধমকালেন, সেই ভাষা রাজতন্ত্রের যুগে ‘মহারানী’ রাও ধমকাতেন কিনা সেজন্য ইতিহাস ঘাটতে হবে। তিনি এক নারী কর্মকর্তাকে তার স্বরে ধমকে ‘বেয়াদব’ বললেন। এর আগে সংসদেও তিনি একবার বেয়াদব বলে আওয়ামী লীগের সাংসদদের শাসিয়েছিলেন। কথায় কথায় কাউকে বেয়াদব, চুপ ইত্যাদি বলা গণতান্ত্রিক চর্চা নয়। এটা সামন্ততাান্ত্রিক রীতি ও সংস্কৃতি। বেগম জিয়া যে জনগণের অধিকারে বিশ্বাস করেন না, সামন্ততন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র, রাজতন্ত্রের বিশ্বাস করেন এই ধমক তার একটি প্রমাণ মাত্র।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন বেগম জিয়া দুবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে কী ভাষায় সম্মোধন করলেন? এটা কি ভদ্রসমাজে ব্যবহার্য ভাষা?

বেগম জিয়া একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞেস করলেন ‘গোপালী’ এর পর তিনি যে কথাটা বললেন, তা ভয়াবহ। তিনি বললেন ‘গোপালগঞ্জের নাম পাল্টে দেব।’ গোপালগঞ্জ, বাংলাদেশ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে থাকা তিনটি নাম। গোপালগঞ্জের পবিত্র মাটিতে জন্ম নিয়েছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গোপালগঞ্জের পবিত্র মাটিতেই শায়িত আছেন এই জাতির প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ। এজন্যই কি, বেগম জিয়ার গোপালগঞ্জের ওপর এত রাগ? ‘বাংলাদেশ’ নামে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠায় ‘গোপালগঞ্জ’ চির ভাষ্কর একটি নাম। এজন্যই কি গোপালগঞ্জের ওপর বেগম জিয়ার এত ক্ষোভ? এজন্যই কি তিনি গোপালগঞ্জের নাম পাল্টে ফেলতে চান? গোপালগঞ্জ নাম পাল্টে তিনি কী রাখতে চান? কান্দাহার? পাঞ্জাব? বেলুচিস্থান? নাকি অন্য কোনো নাম? গোপালগঞ্জ নাম পাল্টানোর গোপন ইচ্ছা প্রকাশ্য হবার মধ্যে দিয়ে বেগম জিয়ার জন্য গোপন ইচ্ছাগুলো উকি দিলো। তিনি কি ‘বাংলাদেশ’ নামটা ও পাল্টে ফেলতে চান? তিনি কি আমাদের জাতীয় সংগীত পাল্টে ফেরতে চান? এজন্যই কি তার এই আন্দোলন? তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মোড়ক এটাই কি তার আসল উদ্দেশ্য? এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে বেগম জিয়াকেই। এর জবাবে আমাদের ‘বেয়াদব’ বলা হলেও আমরা চুপ থাকবো না।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, ২৪ ডিসেম্বর বেগম জিয়ার লিখিত বক্তব্যটি ছিল মার্জিত, সুন্দর, কিন্তু ২৯ ডিসেম্বর তার তাৎক্ষণিক বক্তব্যটি কুৎসিত, অরুচিকর। এর আগে বেগম জিয়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিসংলাপেও এরকম নোংরা শব্দ ব্যবহার করেছিলেন। বেগম জিয়ার লিখিত বক্তব্য যে তার কথা নয়, অন্যের লিখে দেওয়া বক্তব্য তা বোঝার মতো লোকের অভাব নেই বাংলাদেশে।

রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার তথ্যকণিকা

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

চেয়ারম্যান ডেস্ক

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

সাধারণ সম্পাদক ডেস্ক

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

যুবলীগ প্রকাশনা