যুবলীগ সংবাদ :

যুবজাগরণ পাঠাগার ও বিক্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন বঙ্গমাতাকে নিয়ে যুবলীগের স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে : যুবলীগ চেয়ারম্যান জঙ্গিমুক্ত দেশ গড়তে যুবলীগের শপথ রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস পালিত শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে যুবলীগের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে যুবলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলী বইমেলায় যুবলীগের নান্দনিক আয়োজন যুবলীগ চেয়ারম্যান সম্পাদিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির ৭৭ তম জন্মদিন পালিত। পৌর নির্বাচনী প্রচারণায় যুবলীগের কমিটি গঠন মোমবাতি জ্বালিয়ে শহীদদের প্রতি যুবলীগের শ্রদ্ধা মালয়েশিয়ায় যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অগ্রযাত্রার মিছিলে তারুণ্যের প্রেরণা আর সাহসের দিন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস---যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী
সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির ব্যাপারে কোনোছাড় দেওয়া হবে না: মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী
03/03/2014 12:28 AM

প্রশ্ন : দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। এই কংগ্রেস থেকে অর্জন কী?

ওমর ফারুক চৌধুরী : যুবলীগের ষষ্ঠ কংগ্রেস থেকে প্রাপ্তি বলতে গেলে, কোন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হল তা আগে অনুধাবন করা প্রয়োজন। প্রেক্ষাপটগুলো যদি আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করি তাহলে দেখব ‘দিন বদলের’ ম্যান্ডেট নিয়ে বর্তমান সরকার উন্নয়নের নবযাত্রার সূচনা করেছে। এই দেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ধাপে ধাপে এগিয়ে চলছে। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে গোটা জাতি আজ একতাবদ্ধ হয়েছে। এদেশের মানুষের প্রাণের দাবি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করতে সরকার আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যখন এই উন্নয়ন অভিযাত্রা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরুদ্ধে বিএনপি-জামাত জোটের চক্রান্ত চলছে ঠিক তখনই বা সেই সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে আমাদের যুবলীগের কংগ্রেস।  

আপনি লক্ষ্য করবেন, যুবলীগ কংগ্রেস করে। অন্যান্য সংগঠন করে সম্মেলন। সম্মেলনের মূল বিষয় হলো, নেতৃত্ব নির্বাচন। আর কংগ্রেস হলো, রাজনৈতিক মূল্যায়ণ। একটি রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক পরিকাঠামো বিশ্লেষণ করে পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মপন্থা নির্বাচন করা। এবারের কংগ্রেসে আমাদের সাংগঠনিক নেত্রী রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা কর্ম-কৌশল নির্ধারণ করছি। এটাই আমাদের প্রাপ্তি।  

প্রশ্ন: যুবলীগের ‘নেতৃত্ব’ নির্বাচন নিয়ে হট্টগোল হয়েছে। নির্বাচন হয়নি, তৃণমূলের ভাবনা প্রতিফলিত হয়নি এব্যাপারে আপনার মন্তব্য কি?  

ওমর ফারুক চৌধুরী: যেকোন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃত্বে প্রতিযোগিতা থাকবেই। এটাই গণতান্ত্রিক চর্চা। ‘কংগ্রেস’ নির্বাচনি প্লাটফরম নয়। এটা হলো রাজনৈতিক দর্শনের প্রচার ও বিকাশ। যুবলীগের নেতৃত্ব নির্ধারিত হয় দলের সাংগঠনিক প্রধানের ইচ্ছায়। সাংগঠনিক প্রধান যাকে তার রাজনৈতিক ‘দর্শন প্রচারের জন্য যোগ্য বিবেচনা করবেন, তার হাতেই ‘নেতৃত্ব’ তুলে দিবেন।

 প্রশ্ন: আপনার প্রথম করণীয় কি?  

ওমর ফারুক চৌধুরী: আমরা এই সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার পূরণের লক্ষ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে যুব সমাজকে মেধা মননে, সৃষ্টিশীলতায় বিকাশিত করবো। মেধার বিকাশকে লালন করে একটি মেধাভিত্তিক যুব সমাজ তৈরির লক্ষ্যে, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করবো। একটি কার্যকর দক্ষ যুক্তিবাদী যুব নেতৃত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি সাংগঠনিক পরিকাঠামো বির্নিমাণই হলো আমাদের প্রথম করণীয়।  

প্রশ্ন: অনেকেই মনে করেন, বয়সী নেতারা যুবলীগের নেতৃত্বে এসেছে, এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কি?

ওমর ফারুক চৌধুরী: ছাত্র রাজনীতিতে বয়স একটা ফ্যাক্টর। কারণ, একটি নির্দিষ্ট বয়স সীমায় ছাত্রত্ব ত্যাগ করতেই হয়। আর যুবক মানে যিনি সৃষ্টিশীল, যিনি তরুণ, নতুনের গান পরিবেশন করেন তিনিই যুবক। অর্মত্য সেন বলেছেন, তিনি তরুণ, কারণ তিনি নতুন চিন্তা করেন। নতুনকে ধারণ-লালনের মাঝে যিনি সৃষ্টির প্রেরণায় উদীপ্ত তিনিই তো যুবক। কাজেই কত বয়সের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন, সেটি বিষয় নয়, বিষয় হলো তারা সৃষ্টিশীল কী-না, চিন্তা চেতনায় নতুনকে ধারণ করেন কী-না।  

প্রশ্ন: গত সাড়ে তিনবছরে যুবলীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সন্ত্রাসী তৎপরতা, চাঁদাবাজির অভিযোগ এসেছে। যুবলীগের চেয়ারম্যান হিসেবে এই বদনাম ঘোঁচাতে কি করবেন?  

ওমর ফারুক চৌধুরী: যুবলীগের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ গত সাড়ে তিন বছরে এসেছে প্রথমেই বলে নেই তা অনভিপ্রেত, হওয়া উচিত নয়। আপনি লক্ষ্য করবেন, এ ধরনের প্রত্যেকটি ঘটনায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যুবলীগের নামেও কিছু কিছু ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি যে ঐসব ঘটনার সঙ্গে আদৌ যুবলীগ জড়িত ছিল না।  

কিন্তু এ ব্যাপারে আমি স্পষ্ট বলতে চাই, কোনও রকম সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজির ঘটনার ব্যাপারে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি। এব্যাপারে কোনও রকম ছাড় দেওয়া হবে না। পাশাপাশি, মেধা মননের চর্চা, সৃষ্টিশীলতার বিকাশের মাধ্যমে যুবলীগ কর্মী তথা যুব সমাজের ব্যক্তিত্ব, নৈতিকতা ও চারিত্রিক মান উন্নত করার চেষ্টা করা হবে, যাতে একটি কার্যকর মেধাদীপ্ত যুবমানস গড়ে উঠতে পারে। আপনি লক্ষ্য করবেন, এই উদ্দেশেই কিন্তু জাতির পিতার নির্দেশে শেখ ফজলুল হক মনি যুবলীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। একটি যুক্তিবাদী মেধা ভিত্তিক যুব সমাজ বির্নিমান করলেই জঙ্গীবাদ, মাদকাসক্তি, সন্ত্রাসবাদ ও চাঁদাবাজির ভুল পথ ছেড়ে যুব সমাজ সঠিক পথে ফিরে আসবে।  

প্রশ্ন: বর্তমান সরকারের শেষ পর্যায়ে আপনারা নেতৃত্ব নিলেন। সরকার বিরোধী আন্দোলন শুরু হবে। যুবলীগ বিভিন্ন সময়ে রাজপথে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে। বর্তমান যুবলীগ কী ভূমিকা নেবে?  

ওমর ফারুক চৌধুরী:  যুবলীগ কোনও লাঠিয়াল সংগঠন নয়। সরকার বিরোধী আন্দোলন তো অনেক দিন থেকেই বিরোধী দল করছে। এটা তাদের রাজনৈতিক অধিকার। আন্দোলন করতে যেয়ে তারা যদি কোনও আইনশৃঙ্খলা বিরোধী তৎপরতা করে, তা দেখার দায়িত্ব সরকারের এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার। যুবলীগ তার নিজস্ব রাজনৈতিক দর্শনভিত্তিক কর্মসূচি করে থাকে এবং করবে। যুবলীগ কারো প্রতিপক্ষ নয়। যুবলীগ বিশ্বাস করে, সঠিকভাবে রাজনীতি বিকশিত হলে জনগণই অপরাজনীতি ও ষড়যন্ত্রের বীজ উৎপাটন করবে। ডটার অব পিস, বিশ্বনেত্রী শেখ হাসিনার শান্তির মডেল নিয়ে আমরা কাজ করেছি। আমরা মনে করি এবং বিশ্বাস করি ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’ প্রতিষ্ঠাই যুবলীগের রাজনীতির কেন্দ্র।

 প্রশ্ন : বর্তমান সরকারের উল্লেখযোগ্য সাফল্য বা ব্যর্থতা আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করেন?  

ওমর ফারুক চৌধুরী: একটি সরকারের অর্জন-ব্যর্থতা যাচাই করার সবচেয়ে ভালো এবং বিজ্ঞানভিত্তিক উপায় হলো, তুলনামূলক বিশ্লেষণ। আমরা কোথায় ছিলাম, কোথায় এসেছি। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সাড়ে তিন বছরের শাসনামলের সঙ্গে বর্তমান সরকারের সাড়ে তিন বছরের তুলনা করলেই বোঝা যাবে বর্তমান সরকারের অর্জন কি? দেশে এখন খাদ্য সংকট নেই। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে কৃষিতে বাম্পার ফলন হয়। এখনও হচ্ছে। বিশ্বের সব দেশের চেয়ে বাংলাদেশের চালের দাম সর্বনিু। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে আমাদের কৃষিপণ্য আমদানিতে ব্যয় হতো বৈদেশিক মুদ্রার ৩৫ ভাগ। এখন তা হয় মাত্র ৭ ভাগ। সরকার খাদ্য নিরাপত্তা দিতে পেরেছে।  

আগের সরকারের (বিএনপি-জামাত) মতো দেশে সিরিজ বোমার বিস্ফোরণ ঘটছে না। বাংলাদেশের কপাল থেকে সন্ত্রাসী ও জঙ্গী রাষ্ট্রের কলঙ্ক তিলক মুছে গেছে। বাংলা ভাই, শায়খ আবদুর রহমানের মতো সন্ত্রাসী ও জঙ্গিগোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় মদদে রাজত্ব কায়েম করছে না। কিবরিয়া-আহসানউল্লাহ মাস্টারের মতো একজন এমপিও এ সরকার আমলে বোমা-গুলি বা গ্রেনেডে মারা যায়নি।  

ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর মতো কোনো বিদেশী রাষ্ট্রদূত বা হাইকমিশনারের উপর এখনো কোনো বোমা হামলা হয়নি। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার মতো বিরোধীদলীয় নেত্রীর কোনো জনসভায় অর্ধশত মানুষ মারার জন্য কোনো রকমের প্রকাশ্য গ্রেনেড হামলার মতো ঘটনা ঘটেনি। কিংবা হাওয়া ভবনের মতো বাতাসভবন খুলে, প্রধানমন্ত্রীর পুত্র প্যারালাল কোনো প্রশাসন চালু করেনি। জেএমবির মতো কোনো জঙ্গি দলের জন্ম হয়নি। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার মতো কার্যক্রম শুরু করতে হয়নি। গোটা প্রশাসন আগের মতো দলবাজ হয়ে যায়নি।  


এ সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য প্রানান্তকর চেষ্টা চালাচ্ছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন রেকর্ড করেছে। বিদেশ থেকে বন্যার প্রবাহের মতো বৈদেশিক মুদ্রা আসছে।  

বিশ্বে যখন অর্থনৈতিক মন্দা চলছে, তখনও বাড়ছে সরকারের জিডিপি। সরকার বেশ কিছু বৈপ্লবিক কাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন করে ফেলেছে।  আইনের শাসন কায়েমের প্রথম ধাপ হিসেবে দীর্ঘ দিন আটকে থাকা বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচারের রায় কার্যকর করেছে। চার দশক পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছে।  

সংবিধান থেকে সামরিক সংশোধনী বাতিল করেছে। অবৈধ পন্থায় ক্ষমতা দখলের পথ চিরতরে বন্ধ করা হয়েছে। দুর্নীতির বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের বদনাম ঘুঁচিয়েছে।  ব্যর্থ বা ডিজঅ্যাবল রাষ্ট্র বলে চিহ্নিত দেশ আর বাংলাদেশ নেই।  বিশ্বের সন্ত্রাসী দেশের তালিকা থেকে দেশকে বর্তমান সরকার বের করে এনেছে।  

এক সময়ের জঙ্গি-বোমারুদের বিচরণভূমি এখন প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ব শান্তির মডেল হিসেবে জাতিসংঘে গৃহীত হচ্ছে। গণ-মাধ্যমকে বর্তমান সরকার যতটা স্বাধীনতা দিয়েছে গত ৪২ বছরে কোনো সরকার এতটা স্বাধীনতা দেয়নি।

মোটকথা এখন সবাই প্রাণখুলে মনের মাধুরী মিশিয়ে যা খুশি তাই লিখতে পারছে। সামাজিক নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট, অনলাইন সর্বত্র শতভাগ স্বাধীনতা বিরাজ করছে।  

এসব কারণে, আমরা দেখতে পাই বড় কিছু না ঘটলেও মিডিয়া ছোট ছোট বিষয়কে টেনে-টুনে লম্বা করে উপস্থাপন করছে।

প্রশ্ন: ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে আওয়ামী যুবলীগ ভূমিকা রাখতে পারে কি?  

ওমর ফারুক চৌধুরী: ভিশন ২০২১ হলো, বাংলাদেশের রূপকল্প। যখন বাংলাদেশ তার বিজয়ের ৫০ বছর পূর্ণ করবে, তখন কেমন বাংলাদেশ আমরা দেখতে চাই। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বিশ্বশান্তির নেত্রী, ডটার অব পিস শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির সময় বাংলাদেশের একটি অবয়ব রেখা উপস্থাপন করেছেন। এই প্রথম একটি রাজনৈতিক দল সময় নির্ঘন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশ অগ্রযাত্রার একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দিয়েছে।  

ভিশন ২০২১ হলো, বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রার একটি রূপ পরিকল্পনা। এখানে আমরা কবে নাগাদ সর্বজনীন শিক্ষা, সবার জন্য স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তির সর্বজনীনতা পাবো সে বিষয়ে বিস্তারিত সময়সূচি দেওয়া আছে। ২০২১ সালে আমরা কেমন বাংলাদেশ দেখতে চাই, এতে তার স্বপ্নের কথা বলা হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্য আয়ের সমৃদ্ধ স্বনির্ভর বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। এরকম একটি মাতৃভূমি হলে, সবচেয়ে উপকৃত হবে এদেশের যুবক-তরুণরা, যুবকদের সম্ভাবনাগুলো প্রস্ফুটিত হবে। তাদের উদ্যম আর উদ্যোগ মূল্যায়িত হবে। তাদের সৃষ্টিশীলতা বিকশিত হবে। তাই ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে যুবলীগকেই নিতে হবে নেতৃত্ব।  

রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার তথ্যকণিকা

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

চেয়ারম্যান ডেস্ক

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

সাধারণ সম্পাদক ডেস্ক

পরিচিতি
ভাষণ
বার্তা

যুবলীগ প্রকাশনা